Showing posts with label Seo tricks. Show all posts
Showing posts with label Seo tricks. Show all posts

Monday, 2 May 2016

একটু বুদ্ধি খাটিয়ে এইবার Google.com থেকে ভিজিটর নিন।।। (দেখুন সবাই)

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম। আস্সালামু আলাইকুম।

কেমন আছেন সবাই? আশা করি সবাই ভাল আছেন ।
আপনাদের দোয়া আমি ভাল আছি। আজ একটা নতুন পোষ্ট শেয়ার করছি। আশা করি আপনাদের ভাল লাগবে।
  আপনারা অনেকে আজ অনেক দিন সাইট চালাচ্ছেন।।
সবার একই কাজ সাইটে ভিজিটর বাড়ানো।।
কিন্তু পারেন না।।।
তাই আপনাদের জন্য এই টিউন।।।
.প্রথমে সাইটে এডমিন মোড এ জান।।
তারপর © Only Work At Operamini Browser or Google Choorme, not Working Uc browser
© 1st Goto Your Opera Browser.
© Goto Your Site In Admin mode.
© Edit Site © Head Tag এ যান।।।
তারপর নিচের Link গিয়ে স্কিপ্ট গুলা কপি করে আপনার সাইটের head tag এ বসান
script Link :::
তারপর ৩ দিন ওয়েট করে দেখুন ভিজিটর একটু একটু বারতেছে।।।
নোট :: ৩ দিন পর কাজ করবে এই script… মানি ৩ দিন পর আপনার সাইটের কন্টেন্ট গুলা গুগল এ এড হবে।

























১১ টা SEO কৌশল যা ২০১৬ তে আপনার জানা জরুরী

যেহেতু সার্চ ইঞ্জিন প্রতিনিয়ত আপডেট হচ্ছে তাই মার্কেটারদের এর সাথে চলতে হলে অবশ্যই তাদের দক্ষতা বাড়াতে হবে। রিপোর্ট অনুযায়ী লিঙ্ক সার্চ করে ব্যবহার কারীর ক্লিকের ৭০% আসে SEO থেকে! আবার, inbound leads (SEO) এর খরচ outbound leads (বিজ্ঞাপন) থেকে ৬১% কম।
এখন আপনি বুঝতে পারছেন SEO হলো সাফল্যের চাবি, এখানে ১১ টি SEO কৌশল দেয়া হলো যা আপনাকে ২০১৫ তে অবশ্যই জানতে হবে।
১। অবিশ্বাস্য কন্টেন্ট তৈরি করতে হবে যা লিঙ্ক অর্জন করবেঃ সার্চ ইঞ্জিন এলগরিদমের সাথে সব কিছু পরিবর্তনের পরও সার্চ ইঞ্জিনের সাথে সব চেয়ে বড় প্রভাব রয়েছে ইনবাউন্ড SEO লিঙ্কে। অপরদিকে লিঙ্ক অর্জনের অন্য পদ্ধতিগুলো পরিবর্তিত হয়েছে। কোন উঁচু মানের প্রাসঙ্গিক ওয়েব সাইট থেকে লিঙ্ক পাওয়া শুধু আপনার SEO এর সাহায্যে সম্ভব হবেনা। এর সাথে দরকার হবে রেফারেল ট্রাফিক, যা আরো বেশি বিক্রি ও ব্র্যান্ড এর পরিচিতি বাড়াবে।
অবিশ্বাস্য কন্টেন্ট তৈরি যা মানুষ শেয়ার করতে চাইবে তা এখনও লিঙ্ক আয়ের প্রধান উপায় আছে।
২। Co-Citation লিঙ্কঃ প্রতিবার সার্চ ইঞ্জিন আপনার ওয়েবসাইট কে আপনার প্রতদ্ধন্ধির পরেই পায়। এটা তাদের বলে যে আপয়ান্র কোম্পানি একই কুলঙ্গি বা বিষয়ের উপর। Co-Citation লিঙ্ক পেতে হলে “best” অথবা “top 10” দিয়ে আপনার সাইটের বিষয়ের উপর সার্চ করুন।
যেমনঃ টপ টেন ব্লু উইজেড আপনি যদি এই সার্চ করেন আর রিজাল্টে আপনার ব্যবসা না পান তাহলে পাবলিশারের সাথে যোগাযোগ করুন, এবং লিস্টে আপনার কোনপানি কে যোগ করার জন্য বলুন, কেন এবং কোথায় আপনার কোম্পানি এখানে যোগ হবে তার জন্য তৈরি হোন। কোন লিঙ্কের সাথে যেতে হলে তাদেরকে সারমর্ম দিন।
৩। এডিটোরিয়াল লিঙ্কঃ এডিটোরিয়াল লিঙ্ক গুলো আপনার SEO এর জন্য অনেক শক্তিশালি হয়ে আসে কারণ এগুলো অন্য পাবলিকেশন থেকে আপনার কোম্পানি উল্লেখ করে আপনার সাইটের বিষয়ের ভিত্তিতে আসে। তারা আবার লীডারশিপ গেস্ট পোস্ট থেকেও আসতে পারে, যা আপনি লিখে কোন তৃতীয় পক্ষের সাইটে পাবলিশ করেন।
এডিটোরিয়াল লিঙ্ক পাওয়ার সবচেয়ে সহজ পদ্ধতি হলো এমন সব উন্নতমানের কন্টেন্ট তৈরি করা যা অন্যরা তাদের পাঠকের সাথে শেয়ার করবে। অন্য উপায় হলো উচুমানের আকারে গেস্ট পোস্ট করা আপনার সাইটের বিষয়ের উপর। অবিশ্বাস্য কন্টেন্ট তৈরি করতে প্রস্তুত হোন যা কঠিণভাবে পাবলিশের পূর্বে ভোট পরীক্ষিত হবে।
ইন্টারভিউ হলো এডিটোরিয়াল লিঙ্ক পাওয়ার আরেকটি পদ্ধতি।
৪। ব্রোকেন লিঙ্ক বিল্ডিং পদ্ধতিঃ এখানে আরেকটি হোয়াইট হ্যাট লিঙ্ক বিল্ডীং পদ্ধতি যা অনেক কার্যকরি হয়। এখানে আপনি আসলে পাবলিশারকে সাহায্য করছেন ব্রোকেন লিঙ্ক তৈরি করাতে, যা তাদের পাঠকের জন্য সাহায্যকারী হবে। এখানে তখনই কাজ হবে যখন আপনার কন্টেন্ট হারিয়ে যাওয়া কন্টেন্ট থেকেও অনেক শক্তিশালি হবে।
এই কাজের জন্য কোন সাইটের এমন ব্রোকেন লিঙ্ক খুজে বের করতে হবে যা আপনার সাইটের বিষয়ের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। এরপর আপনি ব্রোকেন লিঙ্ক নিয়ে ওয়েবমাস্টারের সাথে যোগাযোগ করে সুপারিশ করবেন যে আপনার সাইট বিকল্প এই ব্রোকেন লিঙ্ক এর। আরো জানতে মজ ব্লগ থেকে broken link-building Bible পড়ুন।
৫। Link Reclamation এটি আপনাকে ব্রোকেন লিঙ্ক খুজে বের করে ফ্রেশ লিঙ্ক পেতে সাহায্য করবে এবং পাবলিশারকে দিয়ে এগুলো সমাধান করাবে।
উদাহরণঃ আপনার সাইট সম্পর্কে উল্লেখ করা ব্র্যান্ড খুজে বের করুন, এবং পাবলিশারকে লিঙ্ক যোগ করতে বলুন।
এমন জায়গা খুজে বের করুন যেখানে আপনার কন্টেন্ট এট্রিবিউশন ছাড়া ব্যবহার করা হয়েছে, এবং সেই ব্যাক্তির নিকট লিঙ্ক রিকুয়েস্ট করুন।
একে স্বয়ংক্রিয় করতে আপনি Google Alert চালু করতে পারেন, যখনই আপনার কোম্পানি নাম উল্লেখ করবে তা ইমেইল করে জানানোর জন্য। এর পর আপনি চেক করে দেখতে পারেন তারা আপনার সাইটের সাথে লিঙ্ক দিয়েছে কি না।
৬। লিঙ্ক আউটরিচঃ এটি অনেকটা “old school” এর মত কিন্তু এখনো অনেক শক্তিশালি। এটি করতে এমন ওয়েবসাইট বের করুন যা আপনার ওয়েবসাইটের সাথে প্রাসঙ্গিক, এবং তাদের সাইট থেকে তাদের যোগাযোগ এর তথ্য সংগ্রহ করুন। তাদেরকে কল করুন বা ইমেইল করে ভদ্রভাবে লিঙ্ক এর জন্য বলুন। এটা ভালো কাজ করে যদি তাদের ব্যবসা আপনার ব্যবসা থেকে কিছুটা আলাদা হয় কিন্তু একই পাঠক শেয়ার করা যায়।
৭। প্রতিদ্বন্ধি বিশ্লেষণ করাঃ এটা নতুন কিছু নয়। কোম্পানিরা তাদের প্রতিদ্বন্ধির ওয়েবসাইট অনেক বছর থেকে গবেষণা করে আসছে। অধিকন্তু প্রতিদ্বন্ধির সাইটের ব্যাকলিঙ্ক এবং ম্যানুয়ালি রিভিউ করা যেসব লিঙ্ক রাখা অনেক মূল্যবান। এরপর আপনি লিঙ্ক আউটরিচ করতে পারেন একই সাইট থেকে লিঙ্ক পাওয়ার চেষ্টা করতে পারেন।
৮। কী-ওয়ার্ড রেঙ্কিং এর পরিবর্তে ROI এ মনযোগ দেয়া যদিও আমরা সবাই সার্চ রিজাল্ট রেঙ্কিং এ কী-ওয়ার্ড এর ফল উপভোগ করি এর দ্বারা এটা প্রমাণ হয়না যে আপনার SEO সফল হয়ে গেছে। অনেক কী-ওয়ার্ডের জন্য এটা সম্ভব কোন ROI না থাকা সত্ত্বেও নাম্বার এক এ যাওয়া। আপনাকে সেই মেট্রিক্স এ মনযোগ দিতে হবে যা কনভার্সেষন আনে।
৯। একটি SEO কৌশল তৈরি করুন যা শ্রোতাকে ম্যাপ করবেঃ গত কয়েক বছর ধরে আমরা গুগল এনালিটিক ও অন্যান্য টুল থেকে অধিকাংশ কীওয়ার্ড হারিয়ে ফেলেছি। এর জন্য জরুরী হয়ে পড়েছে SEO এর পুরণো সিস্টেম থেকে বেরিয়ে এসে শ্রোতাকে আকর্ষিত করার নতুন পদ্ধতি বের করা।
এর জন্য আমাদের অবশ্যই নতুন কী-ওয়ার্ডে মনযোগী হতে হবে। নতুন পদ্ধতিতে মার্কেটারদের প্রতিবেশি করা, এবং বের করা কোথায় SEO দিয়ে আমাদের মার্কেটিং সফল হচ্ছে এবং কীভাবে একে আরো ভালো করে তোলা যায়।
বাজে কন্টেন্টে কী-ওয়ার্ডের গাদাগাদি করে একে রেঙ্কে রাখার দিন অনেক আগেই ফুরিয়েছে। এখন আপনার কন্টেন্ট এর জন্য জরুরী এর টার্গেট করা ব্যাক্তিরা, কীওয়ার্ড হতে হবে কন্টেন্টের সাথে প্রাসঙ্গিক। এজন্যই বলা হয় কন্টেন্ট ও SEO একে অন্যের সাথে বাঁধা।
১০। Yahoo, Bing ও অন্যান্যের জন্য অপটিমাইজ করা Yahoo, Bing, এবং DuckDuckGo এর মত সার্চ ইঞ্জিনরা কম কম করে গুগলের অনেক বড় টুকরো ২০১৬ তে নিয়ে নিতে পারে। Yahoo হলো ফায়ারফক্সের ডিফল্ট সার্চ ইঞ্জিন, Safari গুগলের সাথে ডিল করে যা মনে করা হচ্ছে ২০১৬ তে শেষ হয়ে যাবে। এবং ইয়াহু ও বিং চাচ্ছে এখানে ডিফল্ট সার্চ ইঞ্জিন হওয়ার জন্য।
যেহেতু অন্যান্য সার্চ ইঞ্জিন গুগলের পরিবর্তে ডিফল্ট হয়ে যাচ্ছে তাই সেইসব সার্চ ইঞ্জিনের জন্যও অপটিমাইজ করা বুদ্ধিমানের কাজ হবে।
১১। মোবাইল SEO মোবাইল প্রতি বছর আরো বেশি জনপ্রিয় হয়ে উঠছে, ২০১৬ বা এর পরে অবশ্যই প্রতিটি ওয়েবসাইটের মোবাইলের জন্য আলাদা কৌশল থাকতে হবে।
মোবাইল হতে হবে ২০১৬ এর SEO পরিকল্পনার এর সিংহঅংশ। তবে আপনাকে সতর্ক হতে হবে যেহেতু কনফিগারেশন এরর এর জন্য ৬৮ ভাগ ট্রাফিক লস হয়।
উপসংহারঃ SEO কৌশল তৈরি আপনার কোম্পনি ও ব্র্যান্ডকে সার্চ ইঞ্জিনে উন্নতি দিতে পারে, কেন আপনার ROI আজই উন্নত করছেন না?

সম্পূর্ণ ফ্রি আপনার সাইটকে 200 Search Engine এ সাবমিট করুন।



আমাদের সবার কমবেশী ওয়েব সাইট বা ব্লগ সাইট আছে। আমাদের লক্ষ্য অনুযায়ী তেমন কোন ভিজিটর পাই না। এর কারণ একটাই আপনার সাইট সার্চ ইঞ্জনে সাবমিট বা পরিচয় করিয়ে না দেয়া। যদি আপনার সাইট সার্চ ইঞ্জিনে সাবমিট করা থাকে তাহলে হাজার হাজার ভিজিটর আনা সম্ভব আপনার সাইটে। তাই আমি আপনাদরকে এমন একটা সাইট এর সাথে পরিচয় করিয়ে দেব যেখানে আপনি খুব ফ্রি এবং সহজে আপনার সাইটে ভিবিন্ন সার্চ ইঞ্জনে সাবমিট করে হাজার হাজার ভিজিটর আপনার সাইটে নিয়ে আসতে পারবেন। তো চলুন শুরু করি।
সার্চ ইঞ্জিন কি?
সার্চ ইঞ্জিনকে তথ্য খোঁজার যন্ত্র বলতে পারেন। আপনার আম সম্পর্কে জানার দরকার বাংলাতে এবং ইংরেজিতে। আপনি কোন সার্চ ইঞ্জিনে গিয়ে Mango লিখে সার্চ করলে আম সম্পর্কে তথ্য এনে দেবে। সেখান থেকে আপনি আম সম্পর্কে জানতে পারবেন। আবার যদি বাংলাতে জানার দরকার হয় তাহলে “আম” লিখে সার্চ করলে আম সম্পর্কে তথ্য পাবেন। আবার ধরুন আপনার আমের ছবি দরকার। ঠিক একইভাবে Image Search এ গিয়ে আপনি একইভাবে আমের হরেক রকম ছবি পেতে পারেন। এভাবে সার্চ ইঞ্জিন থেকে আমরা উপকৃত হয়ে থাকি।
সার্চ ইঞ্জিন আমার সাইট কিভাবে খুঁজে পায়?
প্রত্যেকটি সার্চ ইঞ্জিনের একটি করে প্রোগ্রাম আছে। যেটি সব ওয়েবসাইটে ভিজিট করে সংরক্ষণ করতে থাকে তার ডাটাবেজে। এই প্রোগ্রামকে বলে “বট” “BOT” বা রোবট। এই ডাটাবেজ থেকেই সার্চ ফলাফল দেখায়। এই বটগুলো আপনার সাইটের কিওয়ার্ড ও কনটেন্ট এর উপর ভিত্তি করে তাদের ডাটাবেজে অর্ন্তভুক্ত করে। এজন্য সঠিক কি-ওয়ার্ড ব্যবহার করা উচিত। এ সম্পর্কে আগের টিউনে বলেছি।
বট কে আমার সাইট চিনিয়ে দিব কিভাবে?
আপনার সাইট যদি সার্চ ইঞ্জিনের সার্চ রেজাল্টে দেখাতে চান তাহলে অবশ্যই আপনাকে আপনার সাইটটি বট দিয়ে ভিজিট করাতে হবে বা সার্চ ইঞ্জিনে সাইটটি সাবমিট করতে হবে। এখানে এক ক্লিকে প্রায় ২০০ Search Engine এ Submit হবে। ক্লিক করার পর দেখবেন নতুন একটা সাইট ওপেন হয়েছে। সেখানে আপনি আপনার সাইট লিঙ্ক এবং ইমেইল এড্রেস দিন। সর্বশেষে সবগুলো সাইট এ ক্লিক মানে টিক চিহ্ন দিয়ে সাবমিট করুন। দেখবেন সাবমিট হয়ে যাবে।
আপনার সাইটে ভিজিটর আসা শুরু করবে। আপনার সাইটকে পপুলার করার জন্য এর চেয়ে ভালো সুবিধা আমার কাছে নেই।

খুঁজে নিন আপনার কীওয়ার্ড রিলেটেড ওয়েবসাইট



White Hat SEO করার জন্য সমজাতীয় সাইটে ব্যাকলিংক তৈরি করার দরকার হয়। সাধারণভাবে ব্লগ কমেন্টিং, ফোরাম পোস্টিং, গেস্ট ব্লগিং, কিংবা ডিরেক্টরী সাবমিশনের মাধ্যমে ব্যকলিংক তৈরি করে থাকি। এসব সাইটগুলোতে ব্যাকলিংক তৈরি করার জন্য কিভাবে আপনার কীওয়ার্ড সম্পর্কিত
সাইট খুজে বের করবেন, সেটা এখানে দেখানোর চেষ্টা করছি।
ধরি আমাদের কী-ওয়ার্ড- টিউটোরিয়াল ব্লগকমেন্টিং
“টিউটোরিয়াল” site:.gov inurl:blog “post a comment” “টিউটোরিয়াল” site:.edu inurl:blog “post a comment” “টিউটোরিয়াল” “This blog uses premium CommentLuv” “টিউটোরিয়াল” “Notify me of follow-up comments?” “টিউটোরিয়াল” “add to this list” site:squidoo.com
Off topic: এখানে পোষ্ট করে ও লিংক শেয়ার করে সহযেই দৈনিক ১০০+ ইউনিক ভিজিটর নিয়ে নিন আপনার সাইট ও ব্লগে। তৈরি করুন একটি শক্তিশালী ব্যাকলিংক।
গেস্ট ব্লগিং
“টিউটোরিয়াল” guest writer “টিউটোরিয়াল” guest blog post writer “টিউটোরিয়াল” submit content “টিউটোরিয়াল” submit article “টিউটোরিয়াল” submit post “টিউটোরিয়াল” submit blog post “টিউটোরিয়াল” add article “টিউটোরিয়াল” add blog post “টিউটোরিয়াল” add content “টিউটোরিয়াল” guest blogger wanted ডিরেক্টরী সাবমিশন “টিউটোরিয়াল” directory “টিউটোরিয়াল” * directory “টিউটোরিয়াল * “aquarium” intitle:directory “টিউটোরিয়াল” inurl:directory “টিউটোরিয়াল” “list of “টিউটোরিয়াল” sites” “list * “টিউটোরিয়াল” sites” “list * “টিউটোরিয়াল” * sites” “recommended links” “টিউটোরিয়াল” “recommended sites” টিউটোরিয়াল” “favorite links” টিউটোরিয়াল” “favorite sites” টিউটোরিয়াল”
ফোরাম পোস্টিং
“টিউটোরিয়াল” forum “টিউটোরিয়াল forum” intitle:” টিউটোরিয়াল” forum inurl:” টিউটোরিয়াল” forum
কোনো সমস্যা হলে কমেন্ট করবেন । ধন্যবাদ